চলমান যুদ্ধ বন্ধে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য আবারও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এর মধ্যেই কিয়েভকে আরও সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে ২০টি দেশ।
ইউক্রেনে এখনও থেমে নেই রুশ হামলা। দেশটির লুহানস্ক ও দোনবাসে অব্যাহত রয়েছে রাশিয়ার সামরিক অভিযান। এর মধ্যেই ইউক্রেনে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার দাবি, ইউক্রেনের একটি পার্বত্য অ্যাসল্ট ব্রিগেডের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করতেই কৃষ্ণ সাগরের একটি সাবমেরিন থেকে চারটি ক্যালিবার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
চলমান যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। সোমবার (২৩ মে) ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে রাখা এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, পুতিনই রাশিয়ার একমাত্র ব্যক্তি যার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে তিনি বৈঠকে বসতে আগ্রহী।
তবে এ সময় রাশিয়ার ওপর তেলসহ আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার আহ্বানও জানান জেলেনস্কি। এদিন ভাচুর্য়াল ওই বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন জানান, ইউক্রেনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নতুন করে আরও সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে বিশ্বের ২০টি দেশ।
এদিকে ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘রক্তক্ষয়ী, বিচারবুদ্ধিহীন ও খামোখা যুদ্ধ’ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন জেনেভোয় জাতিসংঘ কার্যালয়ে রুশ কাউন্সিলর বরিস বন্ডারেভ। ওই কর্মকর্তার বরাতে বিবিসি জানায়, গেল ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া ইউক্রেনে যা করছে তার সঙ্গে একমত নন বরিস। কিয়েভে রুশ সামরিক অভিযানকে ‘অপরাধ’ বলেও অ্যাখ্যা দেন তিনি।
সোমবার (২৩ মে) সকালে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। বরিস বন্ডারেভের লিংকডইন প্রোফাইল থেকে জানা যায়, ২০১৯ সাল থেকে রাশিয়ার হয়ে তিনি জেনেভায় জাতিসংঘের মিশনে কাজ করেছেন। তিনি ২০ বছর ধরে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করেছেন।
সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে তিনি জানান, তার প্রতিবাদ করার সিদ্ধান্তে ক্রেমলিন তাকে বিশ্বাসঘাতক ভাববে। তবে তিনি তার বিবৃতিতে দেয়া বক্তব্য পরিবর্তন করেননি। চলমান দ্বন্দ্বে ইউক্রেনীয় এবং একই সঙ্গে রাশিয়ার জনগণের সঙ্গেও ‘অপরাধ’ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



