এ বছরে একদিনে সিলেটে সর্বোচ্চ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মঙ্গলবার ৩৮৭ জন। লকডাউনের মধ্যেই আক্রান্তের এই সংখ্যা কপালে ভাঁজ ফেলেছে চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ একটাই মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
আর করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর লকডাউনে সরকারি বিধি নিষেধ মানাতে সচেষ্টা রেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মানুষকে ঘরে রাখতে জেল জরিমানাও করছে জেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত। এরপরও নানা ছুতায় ঘর থেকে বেরোচ্ছে মানুষ। অকারণে বের হয়ে জেরার মুখে পড়ছেন সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব-পুলিশের।

লকডাউনের ৫ম দিনের ন্যায় ৬ষ্টদিনও মঙ্গলবারও (৬ জুলাই) অনেকটা ঢিলেঢালা কেটেছে। এদিন সকাল থেকে সিলেটের সড়কগুলোতে যানবাহনের আধিক্য এবং মানুষ অবাদে চলাচল করতে দেখা গেছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, নগরে কাঁচাবাজার ও রাস্তাঘাটে সবখানে মানুষের জঠলা ছিল এদিন। অনেকে প্রয়োজন ব্যাতিরেকে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মুখোমুখি হতে হয়েছে। কঠোর লকডাউনেও রেস্তোরা খোলা রেখে লোকজনকে খাওয়াতে গিয়ে সেনাবাহিনীর তোপের মুখে পড়তে হয় এক রেস্তোরা মালিককে। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে তলব করে সেনাবাহিনী। অবশ্য পরে দোকান বন্ধ রাখার অঙ্গীকার করে ক্ষমা চাইলে এ যাত্রায় জরিমানার হাত থেকে বেঁচে যান।
এদিকে, গত ১ জুলাই সাত দিনব্যাপী কঠোর লকডাউনের মধ্যেও করোনা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে সোমবার (৫ জুলাই) নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সময়সীমা আরো সাত বৃদ্ধি করা হয়। সেই সঙ্গে কিছু সময়ের জন্য ব্যাংক খোলা রাখা হয়। তাতে গ্রাহকরা প্রচুর ভীড় করায় স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত ছিল।

মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যাদের সড়কে যারা যানবাহন নিয়ে চলাচল করছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার আশরাফ উল্যাহ তাহের বলেন, সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে পুলিশ মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।তবে বাঁচতে হলে নিজে থেকে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। জনগণকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



