করোনায় সংক্রমনে উর্ধ্বগতিতে সিলেটের অবস্থা। সঙ্গে চলমান রয়েছে মৃত্যুর মিছিল। প্রতিদিন দু’চার জন করে যোগ হচ্ছেন মৃত্যুর মিছিলে।
মাস খানেক আগেও অর্ধশতকের নীচে থাকতো করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সেখানে প্রত্যহ ২/৩ শ’ ছাড়িয়ে যাচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।
গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে বিভাগে আক্রান্ত হয়েছেন আরো ২২৮ জন। এর মধ্যে ১৩৬ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা। আর মৃত্যু হয়েছে আরো ৩ জনের। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৮৪ জনে।
রোববার (৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. সুলতানা রাজিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ নিয়ে গত বছরের মার্চ থেকে রোববার (৪ জুলাই) পর্যন্ত ২৬ হাজার ৭১৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৬৯৯ জন, সুনামগঞ্জে ৩ হাজার ০৫৬ জন, হবিগঞ্জে ২ হাজার ৮৩৮ জন ও মৌলভীবাজারে ৩ হাজার ১২১ জন।
পক্ষান্তরে এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ২৩ হাজার ৯৮০ জন।এর মধ্যে সিলেট জেলার ১৬ হাজার ৩১৬ জন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৮৩৬ জন, হবিগঞ্জে ২ হাজার ১১০ জন ও মৌলভীবাজারে ২ হাজার ৭১৮ জন।
এ যাবত করোনায় মারা যাওয়া ৪৮৪ জনের মধ্যে ৩৯৬ জন সিলেট জেলার, সুনামগঞ্জের ৩৩ জন, হবিগঞ্জের ১৯ জন ও মৌলভীবাজারের ৩৬ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় সিলেটের চার জেলায় নতুন করে আক্রান্ত ২২৮ জনের মধ্যে সিলেট জেলার ১৩৬ জন, সুনামগঞ্জে ১৭ জন, হবিগঞ্জে ২২ জন, মৌলভীবাজারে ২১ জন এবং সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। এখনো সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪০৬ জন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৩৮১ জন, সুনামগঞ্জে ৮ জন, হবিগঞ্জে ২ জন ও মৌলভীবাজারে আরো ১৫ জন।
সিলেটে করোনার বিশেষায়িত শহীদ ডা. শামসুদ্দিন হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মিজানুর রহমান বলেন, রোববার বিকেল পর্যন্ত হাসপাতালে ৮৮ জন রোগি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে ৬৫ জনের করোনা পজিটিভ। বাকিরা উপস্বর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় আরো ৩ জনকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে ২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হলেও দুপুরের পর আরো একজন মারা গেছেন।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



