সুনামগঞ্জের হাওরের যে সকল কৃষকদের বোরো ধান তলিয়ে গেছে তাদের আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড .মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।তিনি বলেন, বাঁধগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ আশানুরূপ নয়। নিয়মকানুন আরও কঠিন করা হবে। বাঁধ রক্ষায় ও নদী খননে সমন্বয় করে কাজ করা হবে বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী।
শনিবার(১৬ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চাপতির হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি ।
এ সময় কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন,’ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশে আজ খাদ্য ঘাটতি নেই, সংকট নেই, হাহাকার নেই সুতরাং হাওরের কৃষকরা না খেয়ে থাকবে না।শুধু তাই নয় পিআইসির বাঁধ নির্মাণের দুর্নীতি অনিয়মের কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলব। আর যে সকল কৃষকদের বোরো ধান তলিয়ে গেছে তাদেরকে খাদ্য সহায়তার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।’
তিনি বলেন, হাওরের ধান তোলা নিয়ে আমি সবসময় আতংকে থাকি। কখন কী হয়। কারণ প্রকৃতির উপর আমাদের হাত নেই। হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ যাতে প্রতি বছর ডিসেম্বরের আগে শুরু করা যায় সেটা নিয়েও আমি কথা বলব।
মন্ত্রী আরো বলেন, হাওরের পুরো ধান যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে চালের দাম অবশ্যই বাড়বে। তখন কেউ বলবে না হাওরের ধান তলিয়ে গেছে বলে চালের দাম বেড়েছে। তখন দেশের বিরোধী দলসহ সবাই খাদ্য মন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাব চাইবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জ ৫ সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি, সুনামগঞ্জ সিলেট সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীমা আক্তার খানম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বেনজির আলম, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম, দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছইল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ রায় প্রমুখ।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



