হাইড্রোলিক হর্ণের ব্যবহার বন্ধে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছে সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। গত মার্চ মাসে সিলেট মহানগরী এলাকায় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে, শব্দদূষণ কমাতে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, গত মার্চ মাসে সিলেট মহানগর এলাকায় হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারের অপরাধে ২৫ টি যানবাহনের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে। ডাম্পিং করা হয়েছে ১৭ টি যানবাহন।
এসএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ফয়সল মাহমুদ পিপিএম, বলেন, সাধারণভাবে শব্দের মানমাত্রা ৪০ থেকে ৪৫ ডেসিবল। তার চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ মানুষের শ্রবণশক্তি লোপ, হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টিসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করে। আর হাইড্রোলিক হর্ন ১০০ ডেসিবলের বেশি মাত্রার শব্দ সৃষ্টি করে। আর এই শব্দদূষণ সৃষ্টিতে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, হাইড্রোলিক হর্নের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করতে হলে হবে।এটা যে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, এই বিষয়টি সবাইকে বোঝাতে হবে। বিশেষ করে যানবাহনের মালিক ও চালকদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে।
ইতোমধ্যে এসএমপি ট্রাফিক বিভাগ বেশ কয়েকটি উদ্যেগ গ্রহণ করেছে। তন্মধ্যে প্রতি দুই মাস পর পর “ট্রাফিক পক্ষ পালন”, চালক ও পথচারীদের নিয়ে পথসভা, মাইকিং ও লিফলেট বিতরণসহ জনসচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর ৪০ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি শব্দ নিয়ন্ত্রনের মাত্রা বা সমজাতীয় অন্য কিছু পরিবর্তন করেন, তবে ৮৪ ধারা অনুযায়ী তিনি নুন্যতম ১ বছর বা অনাধিক ৩ (তিন) বৎসরের কারাদন্ড, ৩ লাখ টাকা অর্থদন্ড, বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।
তবে এসএমপি, ট্রাফিক বিভাগ হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার বন্ধের জন্য ১মবার অপরাধের ক্ষেত্রে ১৫ হাজার এবং ২য় বার একই অপরাধের ক্ষেত্রে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা নির্ধারণ করেছে।
ফয়সল মাহমুদ পিপিএম, আরো বলেন, এসএমপির ট্রাফিক বিভাগ সিলেটে সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে আপ্রান চেষ্টা ও অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এতে মহানগরীর সম্মানিত নাগরিকদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



