সিলেটে জৈন্তাপুরে দুই গ্রামের সংঘর্ষ হতাহতের ঘটনায় সহস্রাধিক লোকজনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (০৫ এপ্রিল) জৈন্তাপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বাদি আক্রান্তের ঘটনায় মামলা (নং-০২(৪)’২২) দায়ের করেন।মামলায় ৭৭ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৮০০/১০০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সিলেট জেলা পুলিশের কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ৭ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ৩৫৮ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ও ৫৮ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে, মামলায় উল্লেখ করা হয়।
সিলেটের জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমেদ মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে যে ৮জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
গত রোববার (০৩ এপ্রিল) দিনগত রাত থেকে পরদিন সোমবার (০৪ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান রফিক আহমদের পক্ষে হাউদপাড়া ও সাবেক চেয়ারম্যান রশিদ আহমদের পক্ষের শ্যামপুর গ্রামের লোকজনের মধ্যে জমির মালিকানা নিয়ে সংঘর্ষ হয়।
সোমবার দিনগত রাত ১২ টা থেকে মাইকে ঘোষণা দিয়ে প্রায় ১০ ঘন্টা ব্যাপী চলা সংঘর্ষ পরদিন সোমবার সকালে মধ্যস্থতা যান হাফিজ সালেহ আহমদ। ইমাম ও মুরব্বীদের একটি প্রতিনিধি দলে ছিলেন তিনি। এমন সময় ফের উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। তাৎক্ষনিক তাকে ধরে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের ভেতরে নিয়ে পিঠিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে একটি পক্ষ। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক লোকজন আহত হন। নিহত হাফিজ সালেহ আহমদ (৩০) জৈন্তাপুর উপজেলার উপজেলার হেমু ভাটপাড়া গ্রামে ছিফত উল্ল্যাহর ছেলে। তিনি সিলেট নগরের মেজরটিলা তাহফিজুল কোরআন মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



