নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস ওঠছে জনগণের। সেই জনগণের দায় কাঁধে নিয়ে অনেকটা বিপাকে পড়ে বাম দল। যাদের জন্য আধাঘন্টা হরতাল আহ্বান করা হলো সেই জনগণই পালন করেনি হরতাল।
হরতালের প্রতিবাদে সারা দেশের ন্যায় সিলেটেও বামজোটের হাতেগুনা নেতাকর্মীরা বের হলেও তাদের সঙ্গে ছিল না জনতা। পুলিশী বেষ্টনীতে শেষ করতে হয়েছে কর্মসূচী।
সোমবার (২৮ মার্চ ) অর্ধদিবস হরতালে ছিল এমন চিত্র। আহুত হরতালে কার্যত উত্তাপহীন ছিল রাজপথ। হরতাল আহ্বানকারী বাম জোটের নেতাকর্মীরা নগরের কোর্ট পয়েন্টে জড়ো হলো ছিলেন পুলিশী বেস্টনীতে।

হরতাল চলাকালে যানজটে নাকাল ছিল কর্মসূচীস্থল নগরের কোর্ট পয়েন্ট। হরতালকারীরা সড়কের একপাশে সমাবেশ করলেও তাদের পাশ কাটিয়ে চলছিল যানবাহন।
দোকানপাট, মার্কেট, বিপনী বিতান, শপিংমল কোনো কিছুই বন্ধ হয়নি। বরং স্বাভাবিক ছিল জনজীবন। হরতাল নিয়ে সাধারণ মানুষের মনেও ভীতির সঞ্চার দেখা যায়নি। জনগণের স্বার্থে হরতাল দেওয়া হলেও সামিল ছিলেন না সাধারণ মানুষ।
জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে হরতালের আহ্বান করা হলেও জনতার অনেকে জানেন না আজ হরতাল! পথচারিদের মধ্যে বলাবলি করতে শোনা যায়, আজ হরতাল নাকি? কোথায়, যানবাহনতো চলছে? হরতাল চলাকালে সকালে অফিস-আদালতে যেতেও ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি চাকুরীজীবীদের। দিনের শুরু থেকে সবকিছুই চলছে সমানতালে।

এদিকে, হরতালের সমর্থনে সিলেট নগরীর কোর্টপয়েন্টে অবস্থান নেয় বাম গণতান্ত্রিক জোট। সেখানে পুলিশী বেষ্টনীতে হাতেগুনা কয়েকজন নেতাকর্মীর উপস্থিততে নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।
বক্তারা বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ফলে জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। কথিত ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সকল পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। জনগণের স্বার্থে সরকারকে সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। সরকারের ব্যর্থতার কারণে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ানোর অভিযোগ বাম নেতাদের।
বাম জোটের সমাবেশ ঘিরে সতর্ক অবস্থায় ছিল বিপুল সংখ্যক পুলিশ। আর হরতাল আহ্বানকারীদের পাশ দিয়েই চলছিল যানবাহন। হরতালে রাস্তাঘাট খালি থাকার পরিবর্তে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



