করোনা প্রতিরোধক টিকার প্রথম ডোজ দিতে টিকা কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভীড় রয়েছে মানুষের। শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এমন চিত্র দেখা যায় সিলেটের প্রতিটি টিকা কেন্দ্রে।
দেশের এক কোটি মানুষকে আজ শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জনসন এন্ড জনসন টিকা দিতে যাচ্ছে সরকার। এটি সফল হলে প্রথম ডোজের টার্গেট পুরণ হবে। এরই ধারাবাহিকতায় সকাল থেকেই সিলেট বিভাগের ৯৬ কেন্দ্রে শুরু হয়েছে গণটিকাদান কার্যক্রম।
সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হিমাংশু লাল রায় জানিয়েছেন, বিভাগের চার জেলায় অন্তত ৭ লাখ মানুষকে টিকার প্রথম ডোজ প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
এদিকে, টিকাদান শুরুর আগ থেকেই কেন্দ্রগুলোতে মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সিলেটে পূর্বঘোষিত প্রতিটি স্থায়ী-অস্থায়ী কেন্দ্রে টিকাদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের তত্বাবধানে সিভিল সার্জন কার্যালয়গুলোর সহায়তায় পুরো বিভাগে ৪০টি ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করছে। এই টিমগুলো ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন স্থানে ভাসমান লোকজনকে টিকা প্রদান করছে।
এদিকে, আজ (শনিবার) সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি কেন্দ্রে ‘জনসন এন্ড জনসন’র টিকা দেওয়া হচ্ছে। সিসিকের ২৭টি ওয়ার্ডের ৯৬টি কেন্দ্রে সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয়েছে টিকাদান। বিকেল ৩ টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম বিরামহীনভাবে চলবে।
সিসিক জানায়, যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি সেসব নাগরিকগণ জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা জন্ম নিবন্ধনপত্র নিয়ে কেন্দ্রে এসে টিকা গ্রহণ করবেন। যাদের এর কোনটিই নেই তারাও টিকা কেন্দ্রে এসে টিকা গ্রহণ করতে পারবেন।
যারা ইতিমধ্যে সুরক্ষা এপসে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন কিন্তু কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণ করেননি তারাও আজ টিকা গ্রহণ করতে পারবেন। পরবর্তীতে তারা টিকা গ্রহণের তথ্য সুরক্ষা এপসে হালনাগাগ করাতে পারবেন নগরভবনে স্থাপিত তথ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে।
যারা রেজিষ্ট্রেশন ব্যতিত গণটিকা ক্যাম্পেইনে টিকা গ্রহণ করবেন তাদেরকে কেন্দ্র থেকে একটি সরকারি টিকা কার্ড প্রদান করা হবে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



