করোনার সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে দ্বিতীয় ধাপে এক মাস বন্ধ থাকার পর শশরীরে পাঠদানের জন্য আবারও খুলল বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। প্রথম দফায় মঙ্গলবার খুললো মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আর আগামী ২ মার্চ থেকে খুলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো। শশরীরে পাঠদানের ক্ষেত্রে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও এখনই সব শিক্ষার্থী সশরীরে ক্লাস করতে পারবে না। শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেওয়া শিক্ষার্থীরাই শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকতে পারবে। বাকিরা অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাসে অংশ নেবে।
প্রতিষ্ঠান খোলার পর কীভাবে চলবে, সে বিষয়ে রোববার একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
বিশ-দফা ওই গাইডলাইনে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যে শিক্ষার্থীরা কোডিড-১৯ টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছে, তারা সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথে শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্রের মাধ্যমে নিয়মিত তাপমাত্রা মাপা ও তা পর্যবেক্ষণ করার ব্যবস্থা করতে হবে; এবং শিক্ষার্থীদের ভিড় এড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠানের সবগুলো প্রবেশ/প্রস্থান মুখ ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



