সিলেটে আবারো থাবা বসাচ্ছে করোনা। দিন যতই যাচ্ছে, ততই বাড়ছে করোনার প্রভাব। পরিস্থিতি যেনো ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এবার একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দেড়শ’ ছুঁই ছুঁই।
গত ২৪ ঘন্টায় সিলেটে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৪৮ জন। এরমধ্যে ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগের দিন শনিবার ২৪ ঘন্টায় ৮৮ জন আক্রান্ত ও ২ জনের মৃত্যু হয়। যা গত ৫ মাসের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় সিলেট বিভাগে ১ হাজার ৭২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪৮ জনের করোনা সনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮১ শতাংশে পৌছেছে।
শনাক্তকৃতদের ১২৫ জনই সিলেট জেলার। এছাড়া সুনামগঞ্জের ৭ জন, হবিগঞ্জের ৮ জন ও মৌলভীবাজারের ৮ জন রয়েছেন। আর ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে ওঠেছেন ৪২ জন।
সিলেটে হঠাৎ সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পেছনে করোনার ওমিক্রনের ধরণকে গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য অধিদফতর সিলেটের বিভাগীয় পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় বলেন, ওমিক্রনের কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের কারণে আক্রান্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষ কম পরিক্ষা করাচ্ছেন। ফলে আক্রান্ত কম দেখা যাচ্ছে। মূলত পরিক্ষা বাড়লে আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়বে। কেননা, লোকজন ওমিক্রনকে গুরুত্ব না দিয়ে মাস্ক বিহীন অবাদে চলাফেরা কবছেন। যে কারণে পরিস্থিতি ভয়াবহ হচ্ছে।
তিনি বলেন, যদি কেউ শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকেন, যেমন ডায়াবেটিস বা কিডনি জটিলতা থাকে, তাহলে ওমিক্রনে মৃত্যুও হতে পারে। এজন্য সবাইকে সতর্ক হতে হবে, সচেতন থাকতে হবে। এছাড়া করোনার ওমিক্রন ধরণের সঙ্গে ডেল্টা ভেরিয়েন্টও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সবগুলো ভেরিয়েন্টই বিপদের কারণ হতে পারে। তাই আগে থেকে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১০ মার্চ থেকে অধ্যবধি সিলেট বিভাগে ৫৫ হাজার ৬৯২ জন করোনায় আক্রান্ত হন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেন ৫০ হাজার ১৫০ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ১৮৬ জনের।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



