সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বজ্রপাতে আবদুল খালেক (৫০) নামে মসজিদের এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩১মে) রাত ১০ টার দিকে বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের সাতুরের বন্দ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি উপজেলার বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের সাতুর গ্রামের বাসিন্দা ও পাশ্ববর্তী কাকরহাটি গ্রামের জামে মসজিদে ইমামতি করতেন।
এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গরুকে খাস খাওয়ানোর জন্য নিজ গ্রামের সামনে সাতুরের বন্দে যান। সে সময় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে বজ্রপাতের ঘটনাস্থলেই আব্দুল খালেক মারা যান।
কিন্তু পরিবারের লোকজনের ধারণা ছিল আবহাওয়া খারাপ থাকায় হয়তো তিনি বাড়িতে না এসে মসজিদেই রয়ে গেছেন। পক্ষান্তরে মসজিদের মুসুল্লীরা মনে করেছেন আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে হয়তো ইমাম সাহেব বাড়িতে রয়ে গেছেন।
পরে রাত সোয়া আটটার দিকে ওই ইমামের খোঁজে তাঁর এক আত্বীয় কাকরহাটি গ্রাম জামে মসজিদে আসেন।তাঁকে মসজিদে না পেয়ে সন্দেহ হয়।পরে খোঁজাখুঁজির পর রাত সাড়ে আটটার দিকে মসজিদের ইমাম নিখোঁজ থাকার বিষয়টি মাইকিং করে এলাকাবাসীকে জানিয়ে দেওয়া হয়।
ইমাম সাহেবের স্বজনেরা ও এলাকাবাসী মিলে খোঁজাখুঁজি করে সাতুরবন্দ নামক স্থান থেকে রাত ১০ টার দিকে ইমামের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ নতুন সিলেটকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্মল দেব বলেন, ওই ব্যক্তির বুকের কিছু অংশ ঝলসে গেছে।কান দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছিল। বজ্রপাতের কারণেই মসজিদের ইমাম আবদুল খালেকের মৃত্যু হয়েছে, নিশ্চিত করেন তিনি।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



