সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় অপহরণকারী সন্দেহে ১৬ কিশোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ মে) রাত ১০ টার দিকে উপজেলার কামালবাজার ইউনিয়নের নবাগ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নবাগ গ্রামের হেলাল আহমদের ছেলে ফুটবল খেলোয়াড় তৌফিকুল ইসলাম তাহিমকে (১৫) বাড়ি থেকে ডেকে বের করে দুই যুবক। তাকে রাস্তায় আনার পর আটজন যুবক ঘিরে ফেলে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এমন সময় তাহিমের পেছনে পেছনে আসেন তার মা ও বাবা। ছেলেকে তুলে নেওয়ার চেষ্টাকালে তারা আর্তচিৎকার করলে এলাকার লোকজন কিশোরদলের ৮ সদস্যকে আটক করেন। তাদের ছাড়িয়ে নিতে আরো আরো ৮ কিশোর এগিয়ে আসলে ১৬ জনকে একটি ঘরে আটক করে রেখে দক্ষিণ সুরমা থানায় খবর দেওয়া হয়।
এসএমপির দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভিকটিম তৌফিকুল ইসলাম তাহিম ভাল ফুটবল খেলে। তাকে টাকার বিনিময়ে খেলতে নিতে চেয়েছিল তারা। কিন্তু সে ইতোমধ্যে অন্য আরেকটি টিমের হয়ে খেলতে নাম লিখিয়েছে। ফোনে তাদের সঙ্গে বাদানুবাদের জের ধরে ৮ জনের কিশোরদল রাতের আধারে তাকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে আসে। ঘটনাটি জানাজানির পর এলাকার লোকজন তাদের আটক করে। পরে আরো ৮ জন আটককৃতদের সাহায্যে ছুটে আসলে তাদেরও আটক করা হয়।
তিনি বলেন, আটককৃতদের জনরোষ থেকে বাঁচাতে একটি বাড়িতে ঘরে আটকে রাখা হয়। রাত ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। তবে প্রকৃতপক্ষে ঘটনাটি অপহরণ নাকি অন্য কিছু এ জন্য কিশোরদের অভিভাবকদেরও থানায় খবর দিয়ে আনা হচ্ছে।
তবে স্থানীয়রা বলছেন, তাহিমকে ওই কিশোররা অপহরণ করতে এসেছিল। তাকে বাড়ি থেকে বের করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।কিশোরের বাবা-মায়ের আর্তচিৎকারে তারা অপহরণ করতে ব্যর্থ হয়। নয়তো অল্পের জন্য কিশোর তাহিমের জীবন বিপন্ন হতে পারতো। ওরা তাকে মেরে ফেলতো। ওই ঘটনায় ২৫ জনের মতো কিশোর যুক্ত ছিল। ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। অন্যরা অন্ধকারে পালিয়ে গেছে।
ওসি মনিরুল ইসলাম আরো বলেন, আটককৃতদের কাছে কোনো কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি। তাতে সন্দেহ অনুমেয় খেলা নিয়ে তারা কথা বলতে এসেছিল। তবে থানায় নেওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



