এক বছরের জন্য দোকান কোঠা ভাড়া নিয়েছিলেন সিলেটের আওয়ামী লীগ নেতা মোবাশ্বির আলী। আদালতের রায়ে ১৪ বছর পর সেই দোকান কোঠা ফিরে পেলেন মালিক পক্ষ।
মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) আদালতের রায়ে ভাড়াটিয়া আওয়ামী লীগ নেতাকে সরিয়ে দোকান কোঠার দখল মালিককে বুঝিয়ে দেয় প্রশাসন।
আদালতের নির্দেশক্রমে এদিন জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজু খুশনুর রুবাইয়াৎ এর উপস্থিতিতে পুলিশ ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করে মূল মালিককে দোকান বুঝিয়ে দেন।
জানা গেছে, নগরের কাজলশাহ এলাকায় মেসার্স জনসেবা ফার্মেসী নামক দোকানটি এক বছরের জন্য ভাড়া নিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের বর্তমান তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোবাশ্বির আলী। এরপর তিনি জবরদখল করে দোকানটি ভাড়া শুভ্র দাশ বিশ্ব নামের এক জনের কাছে ভাড়া দেন। বিগত ১৪টি বছর ধরে দাপট খাটিয়ে ভাড়া ভোগ করে আসছিলেন ওই আওয়ামী লীগ নেতা। এ নিয়ে দোকান কোঠার মূল মালিক আসাদ মিয়া আদালতে মামলা করেন। স্বত্ব জারি ০৭/২০১৭ মোকদ্দমার দখলদেহী কার্য সম্পাদনের জন্য মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) দিন ধার্য্য করে দেন আদালত। আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান উচ্ছেদের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ নিয়োগ করে দখলদারকে উচ্ছেদ করেন।
সরেজমিন দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রিট ও পুলিশ দোকানের সামনে আদালতের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয় এবং তাৎক্ষনিক ভাড়াটিয়াকে ফার্মেসীর মালামাল সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন। দোকানের মালামাল বের করার পর দোকানটি সমজে নেন মালিক আসাদ মিয়া।
এ বিষয়ে দোকান মালিক আসাদ মিয়া জানান, নগরের কাজলশাহ এলাকায় অবস্থিত এক বছরের জন্য দোকান ভাড়া দিয়ে দীর্ঘ ১৪ বছর ভোগান্তি পোহাতে হলো।দখলদারকে উচ্ছেদে উচ্চ আদালত, নিম্ন আদালত ঘুরে লিভ টু আপীলের পর রায় পেয়েছি। এ জন্য সরকার ও বিচারবিভাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
তিনি বলেন, পড়ালেখা না জানা তথাকথিত আওয়ামী লীগ নেতা মোবাশ্বির আলী তার দোকানটি দখল করে রেখেছিলেন। এক বছরের জন্য ভাড়া দিয়ে ১৪টি বছর ভোগান্তি পেতে হয়েছে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



